কাপ্তাই হ্রদ
Karnafuli Lake Kaptai
পাহাড়ের ভেতর বিশাল জলাধার
১৯৬০-এর দশকে কাপ্তাই বাঁধের ফলে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ। চারপাশে সবুজ পাহাড়, ছোট ছোট দ্বীপ আর নৌকার পথ — রাঙামাটির সবচেয়ে শান্ত মুখ।
কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিলে পাহাড়ি উপত্যকা প্লাবিত হয়ে এই হ্রদের সৃষ্টি। আজ এটি পর্যটনের কেন্দ্রবিন্দু — রিজার্ভ বাজার থেকে নৌকায় শুভলং, পলওয়েল বা দ্বীপঘেরা রুটে ঘুরে বেড়ানো যায়।
আমরা এক রাত থেকে দ্বিতীয় দিন সকালে রিজার্ভ বাজার থেকে পুরো নৌকা রিজার্ভ করে বের হই। হাওয়া, পানির রঙ আর পাহাড়ের গায়ে মেঘ — কাপ্তাই রোডের CNG ট্যুরের চেয়ে আলাদা রকম শান্তি।
আমাদের ক্যামেরায়
রিজার্ভ বাজার থেকে নৌকা

সোনালি বুদ্ধ মূর্তি
হ্রদের শেষ দৃশ্য
কীভাবে যাবেন
- CNG
রাঙামাটি → কাপ্তাই রোড (রিজার্ভ CNG)
পুরো দিন ৳২,০০০ (আমাদের ২০২৬, ৪ জনে ভাগ)হ্রদের পাড়ের রাস্তা ও লুক পয়েন্টগুলো CNG-তেই সুবিধা
- নৌকা
রিজার্ভ বাজার ঘাট → শুভলং / পলওয়েল / দ্বীপ
পুরো নৌকা ৳২,০০০ (আমাদের ২০২৬)⏱ সকাল থেকে বিকেল
ভাড়া আনুমানিক — মৌসুম, ছুটি আর দরদামে বদলায়।
কখন যাবেন
- জানু
- ফেব্রু
- মার্চ
- এপ্রি
- মে
- জুন
- জুলা
- আগ
- সেপ্টে
- অক্টো
- নভে
- ডিসে
সাবধানতা
- নৌকায় লাইফ জ্যাকেট আছে কিনা দেখুন; বর্ষায় হাওয়া ও ঢলে সতর্ক থাকুন।
- সাঁতার না জানলে গভীর পানিতে নামবেন না।
- নৌকার মাঝির নম্বর ও ফেরার সময় আগে থেকেই ঠিক করে নিন।
টিপস
- রিজার্ভ বাজার থেকে সকালে নৌকা ধরলে শুভলং-এ ভিড় কম থাকে।
- CNG আর নৌকা — দুটো আলাদা দিনে নিলে ঘুরে দেখার জন্য সময় বেশি পাবেন।
- সূর্যাস্তের দিকে হ্রদের পানিতে আলো খুব সুন্দর — ক্যামেরা পুরো চার্জ রাখুন।



