মূল কন্টেন্টে যান
Fly The Sky
দেবতাখুমের সরু গিরিপথে বাঁশের ভেলায় আমরা
বান্দরবান, চট্টগ্রাম

দেবতাখুম ডে ট্রিপ

৳৩,০০০-তে এক দিনে ঝিরিপথ আর বাঁশের ভেলা

বোর্ডিং পাসFly The Sky

যাত্রা

DAC

ঢাকা

গন্তব্য

DEB

দেবতাখুম

ভাড়া / জন
৳৩,০০০
দিন
১/০
ক্রু
৫ জন
সেরা সময়
নভে, ডিসে, জানু, ফেব্রু, মার্চ, এপ্রি
কাঠিন্য
সহজ
তারিখ
ফেব ২০২৪
যাচাইকৃত১০ অক্টোবর, ২০২৬

রাতের বাসে বান্দরবান, ভোরে সিএনজিতে কচ্ছপতলী, গাইড নিয়ে এক ঘণ্টার ঝিরিপথ, তারপর পাহাড়ের দেয়ালের মাঝে সবুজ পানিতে বাঁশের ভেলা। পাঁচ বন্ধু, কোনো হোটেল ছাড়াই, জনপ্রতি ঠিক ৩,০০০ টাকা।

স্টোরি মোড

স্ক্রল করুন, আমাদের সাথে হাঁটুন

দিন ১ঢাকা

দিন ১

রাতের বাস, ঝিরিপথ আর ভেলা

ঢাকা → বান্দরবান → রোয়াংছড়ি → কচ্ছপতলী → দেবতাখুম → বান্দরবান → ঢাকা

রাতের বাসে আমাদের সেলফি01

রাতের বাসে বান্দরবান

ফকিরাপুল থেকে হানিফের নন-এসি বাস, টিকিট জনপ্রতি ৯০০ টাকা। সারা রাত চলে ভোর ৬টার দিকে বান্দরবান শহর।

টিপ: ফেরার টিকিটও একসাথে কেটে নিন — সন্ধ্যার বাসে সিট পাওয়া কঠিন হতে পারে।

কচ্ছপতলী বাজারে সিএনজির পাশে আমরা02

সিএনজিতে কচ্ছপতলী বাজার

বান্দরবান থেকে ৮০০ টাকায় সিএনজি রিজার্ভ, রোয়াংছড়ি হয়ে কচ্ছপতলী — পাঁচ জনে ১৬০ করে। বাজারে গাইড অফিস থেকে পুরো দলের জন্য ৮০০ টাকায় গাইড, আর্মি ক্যাম্পে NID কপি দিয়ে ৫০ টাকার ফর্ম, তারপর ৬০ টাকার নাস্তা।

টিপ: দুপুরের খাবার এখানেই অর্ডার দিয়ে যান — খুমের দিকে কোনো দোকান নেই।

জায়গাটা সম্পর্কে →
03

ঝিরিপথ ধরে হাঁটা

গাইডকে নিয়ে সকাল ৯টার পর হাঁটা শুরু। পথের বেশিরভাগটা খালের ভেতর দিয়ে — পানি গোড়ালি সমান, দুই পাশে সবুজ পাহাড়। আমাদের লেগেছে প্রায় এক ঘণ্টা।

টিপ: গ্রিপওয়ালা স্যান্ডেল পরুন — জুতো ভিজবেই।

জায়গাটা সম্পর্কে →
04

দেবতাখুমে স্বাগতম

শেষের দিকে পাথরের বিশাল মাঠ, তারপর উপজেলা প্রশাসনের সাইন — ‘দেবতাখুমে আপনাকে স্বাগতম’। আমরা পৌঁছেছি সকাল ১০টার একটু পরে।

জায়গাটা সম্পর্কে →
05

পান্নার মতো সবুজ পানি

খুমের মুখে খালের পানি হঠাৎ গাঢ় সবুজ আর কাচের মতো স্বচ্ছ। এখান থেকে ছোট নৌকায় পার হয়ে ভেলার ঘাট।

জায়গাটা সম্পর্কে →
ভেলার ঘাটে পাথরের ওপর আমরা পাঁচ জন06

ভেলার ঘাট

পাথুরে ঘাটে লাইফ জ্যাকেট আর বাঁশের ভেলা ভাড়া হয়। নৌকা, ভেলা আর লাইফ জ্যাকেট মিলিয়ে আমাদের লেগেছে জনপ্রতি প্রায় ২০০ টাকা।

টিপ: সাঁতার জানলেও লাইফ জ্যাকেট খুলবেন না — খুম জায়গাভেদে ৫০–৭০ ফুট গভীর।

জায়গাটা সম্পর্কে →
07

বাঁশের ভেলায় খুমের ভেতরে

বাঁশ দিয়ে নিজেরাই ভেলা ঠেলে এগোনো। দুই পাশে খাড়া পাথরের দেয়াল, ওপরে গাছ — চারদিক এত শান্ত যে পানির শব্দও কানে লাগে।

জায়গাটা সম্পর্কে →
08

খুমের সরু গিরিপথ

ভেতরে দেয়াল আরও কাছে চলে আসে, রোদ ঢোকে কম — তাই ঠান্ডা আর একটু রহস্যময়। এক জায়গায় পাথর ছাদের মতো ঝুঁকে আছে; সেখানে ভেলা ভিড়িয়ে খানিক বিশ্রাম।

টিপ: খুমের ভেতরে স্থানীয়দের পবিত্র ‘দেবতার পাথর’ আছে — ওটার ওপর উঠবেন না।

জায়গাটা সম্পর্কে →
দুপুরে ভেলার ঘাটে লাইফ জ্যাকেট পরা পর্যটকদের ভিড়09

দুপুরে ঘাটে ভিড়

সাড়ে ১১টার দিকে ফেরা শুরু। দুপুর ১২টায় ঘাটে এসে দেখি মানুষের ভিড় — সকালে গিয়ে খুম প্রায় ফাঁকা পেয়েছিলাম।

টিপ: সকাল ৯টার মধ্যে কচ্ছপতলী পৌঁছান — ভিড়ের আগেই খুম দেখা হয়ে যাবে।

জায়গাটা সম্পর্কে →
হাতঘড়িতে ভোর ছয়টা — ঢাকায় ফেরা10

কচ্ছপতলী হয়ে ঢাকায় ফেরা

একই পথে হেঁটে বিকেল ৪টায় কচ্ছপতলী, ২৫০ টাকায় দুপুরের খাবার। আরেকটা সিএনজিতে (৮০০ টাকা) সন্ধ্যা ৭টায় বান্দরবান, ২০০ টাকায় রাতের খাবার, তারপর হানিফে ৯০০ টাকা — পরদিন ভোর ৬টায় ঢাকা।

Fly The Sky

খরচের রসিদ

জনপ্রতি, আমাদের ৪ জনের গ্রুপে যা খরচ হয়েছে।

  • ঢাকা → বান্দরবান (হানিফ নন-এসি)৳৯০০
  • বান্দরবান → ঢাকা (হানিফ নন-এসি)৳৯০০
  • সিএনজি, বান্দরবান → কচ্ছপতলী৳৮০০ ÷ ৫ জন৳১৬০
  • সিএনজি, কচ্ছপতলী → বান্দরবান৳৮০০ ÷ ৫ জন৳১৬০
  • গাইড (পুরো দিন, পুরো দল)৳৮০০ ÷ ৫ জন৳১৬০
  • আর্মি ক্যাম্পের অনুমতি ফর্ম৳৫০ ÷ ৫ জন৳১০
  • নৌকা, বাঁশের ভেলা আর লাইফ জ্যাকেট৳২০০
  • নাস্তা (কচ্ছপতলী)৳৬০
  • দুপুরের খাবার (কচ্ছপতলী)৳২৫০
  • রাতের খাবার (বান্দরবান)৳২০০
মোট৳৩,০০০
পরিশোধিত2026-10-10

ট্রিপ কিট

এই ট্রিপ রিমিক্স করুন

আপনার গ্রুপ, আপনার শহর — বাজেট, প্যাকিং লিস্ট আর প্রিন্টযোগ্য প্ল্যান এক জায়গায়।

রিমিক্স

কাজের টিপস

  • রাতের বাসে গিয়ে রাতের বাসে ফেরা — হোটেল লাগে না, এক দিনেই পুরো ট্রিপ।
  • সিএনজি বা চাঁদের গাড়ি বড় দলে ভাগ করলে খরচ অনেক কমে যায়।
  • NID বা জন্ম নিবন্ধনের ২ কপি ফটোকপি সাথে রাখুন — আর্মি ক্যাম্পে জমা দিতে হয়।
  • কচ্ছপতলীর পর মোবাইল নেটওয়ার্ক থাকে না; বাড়িতে আগেই জানিয়ে রাখুন।
  • পানি আর শুকনো খাবার (বিস্কুট, খেজুর) সাথে নিন; ময়লা ফেরত আনুন।

সেফটি ও নিয়ম

  • ভেলায় আর পানিতে নামলে লাইফ জ্যাকেট পরে থাকুন — খুম অনেক গভীর, নিচে লুকানো পাথর।
  • বর্ষায় পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকিতে প্রশাসন দেবতাখুম বন্ধ রাখে; যাওয়ার আগে রোয়াংছড়ি উপজেলার নোটিশ দেখে নিন।
  • গাইড ছাড়া ঢোকা যায় না, আর সূর্যাস্তের আগেই কচ্ছপতলী ফিরুন।
  • দেবতার পাথরে উঠবেন না; খুমে ক্যাম্পিং নিষেধ।

প্রশ্নোত্তর