জাফলং
Jaflong
পিয়াইনের স্বচ্ছ পানি, ওপারে ডাউকি সেতু
খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে পিয়াইন নদী — জিরো পয়েন্ট থেকে দুই পাহাড়ের মাঝে ঝুলে থাকা ডাউকি (উমংগট) সেতু দেখা যায়, যা কয়েক গজ ভেতরে ভারতে।
মেঘালয়ের ঝর্ণা থেকে আসা পিয়াইনের পানি পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যায়। জাফলং একটা পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) — তবু পাথর-বালু তোলা নিয়ে বছরের পর বছর লড়াই চলছে; ২০২৪-এর পর থেকে টাস্কফোর্স অভিযান ও গ্রেপ্তারও হয়েছে।
রাতে নদীর ওপারে ডাউকি শহরের আলো জ্বলে ওঠে। আমরা মামার বাজারে থেকেছিলাম, সকালে জিরো পয়েন্ট থেকে নৌকায় মায়াবী ঝর্ণা — মাঝপথে ঝুম বৃষ্টি।
আমাদের ক্যামেরায়
জাফলংয়ের রাত
জিরো পয়েন্টে ঝুম বৃষ্টিতে নৌকার ছাদে
কীভাবে যাবেন
- বাস
সিলেট কদমতলী/শোভনীঘাট → জাফলং
লোকাল ~৳১১০, গেটলক ~৳১৫০ (আনুমানিক ২০২৫) - CNG
বিকল্প: সারাদিন রিজার্ভ CNG
৳১,২০০–১,৫০০ (আনুমানিক) - হাঁটা
বাসস্ট্যান্ড/মামার বাজার → জিরো পয়েন্ট
ভাড়া আনুমানিক — মৌসুম, ছুটি আর দরদামে বদলায়।
কখন যাবেন
- জানু
- ফেব্রু
- মার্চ
- এপ্রি
- মে
- জুন
- জুলা
- আগ
- সেপ্টে
- অক্টো
- নভে
- ডিসে
সাবধানতা
- জাফলংয়ে প্রায় প্রতি বছর পর্যটক ডুবে মারা যান (২০২৫ ও ২০২৬-এও)। বালু তোলায় নদীর তলায় হঠাৎ গভীর গর্ত — হাঁটুপানি ভেবে নামবেন না।
- স্থানীয় নিয়মে নৌকায় লাইফ জ্যাকেট বাধ্যতামূলক; সাঁতার না জানা ও ১২ বছরের কম বয়সীদের নৌকায় ওঠা নিষেধ (যাচাই করে নিন)।
- জিরো লাইন পার হবেন না।
- বন্যার সময় প্রশাসন সব স্পট বন্ধ করে দেয়।
টিপস
- জিরো পয়েন্টে দালাল বেশি — দরদাম করুন।
- শীতে পানি স্বচ্ছ ও কম, বর্ষায় নদী ও ঝর্ণা পূর্ণ রূপে।
কাছাকাছি
ঝর্ণামায়াবী ঝর্ণা
তিন ধাপের ঝর্ণা, পিয়াইনের ওপারে
গ্রামখাসিয়া পুঞ্জি
পানের বাগান, মাচার ঘর আর খাসিয়া রান্না
সীমান্ততামাবিল
সিলেট–শিলং রোডের সীমান্ত, মেঘালয়ের দরজা
ভিউপয়েন্টবাংলাদেশের শেষ বাড়ি
এর পরেই ভারত
