খাসিয়া পুঞ্জি
Khasia Punji (Jaflong)
পানের বাগান, মাচার ঘর আর খাসিয়া রান্না
জাফলংয়ে পিয়াইনের ওপারে সংগ্রাম, নকশিয়া আর লামা পুঞ্জি — খাসিয়াদের ঝকঝকে পরিষ্কার গ্রাম, যাদের জীবিকা পান-সুপারির বাগান।
খাসিয়াদের গ্রামকে বলা হয় ‘পুঞ্জি’। ঘরগুলো মাচার উপর, বাঁশ বা ইটের। পান তাদের কাছে পবিত্র — প্রতিদিন সকালে গোসল করে তবেই পান তোলেন চাষিরা। পাশেই জাফলং চা বাগান।
২০২৫ সালে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও ILO এখানে কমিউনিটি ট্যুরিজম চালু করে — ২০২৬-এর শুরুতে তিন পুঞ্জিতে চারটা হোমস্টে, একটা কমিউনিটি জাদুঘর, খাসিয়া শিশুদের নাচ আর তরুণ খাসিয়া গাইড।
আমরা পান্থুমাই থেকে ক্লান্ত পায়ে অটো আর ভ্যানে এসেছিলাম, তারপর চা বাগানের ভেতর দিয়ে হেঁটে সন্ধ্যায় জাফলং।
আমাদের ক্যামেরায়
খাসিয়া পল্লী ও চা বাগান
কীভাবে যাবেন
- বাস
সিলেট → জাফলং
জাফলং পেজ দেখুন
- নৌকা
বল্লাঘাট → পিয়াইনের ওপারে পুঞ্জি
শুকনো মৌসুমে হেঁটেও পার হওয়া যায়
ভাড়া আনুমানিক — মৌসুম, ছুটি আর দরদামে বদলায়।
কখন যাবেন
- জানু
- ফেব্রু
- মার্চ
- এপ্রি
- মে
- জুন
- জুলা
- আগ
- সেপ্টে
- অক্টো
- নভে
- ডিসে
সাবধানতা
- রাতে থাকতে চাইলে ট্যুরিজম বোর্ডের মাধ্যমে আগে অনুমতি নিতে হয়।
টিপস
- পানের বাগান ব্যক্তিগত সম্পত্তি — অনুমতি ছাড়া ঢুকবেন না।
- ছবি তোলার আগে জিজ্ঞেস করুন।
- খাসিয়া রান্না চেখে দেখুন: বিন্নি চালের পোলাও, দোখলে (মুরগির সালাদ), বাঁশ কোড়ল।



