বিছানাকান্দি
Bichanakandi
পাথরের বিছানা, মেঘের চাদর
খাসিয়া পাহাড়ের কয়েকটা স্তর দুই দিক থেকে এসে মিলেছে এখানে; পাহাড়ি ঝর্ণার পানি পাথর বয়ে এনে নদীর বুকে বিছানার মতো বিছিয়ে দিয়েছে — তাই নাম ‘বিছানাকান্দি’।
রুস্তমপুর ইউনিয়নের এই জায়গাটা পিয়াইন নদীর সাথে যুক্ত। বর্ষায় পাহাড় সবুজ, পানির তোড় প্রবল — আর মেঘ নেমে আসে নদীর একদম কাছে।
শীতে পানি কমে যায়, তখন পাথরবাহী নৌকা আর উত্তোলনের ভিড় বেশি চোখে পড়ে। আমরা রাতে কাছেই একটা স্থানীয় হোটেলে থেকে সকালে ঝুম বৃষ্টিতে নৌকায় নদী পার হয়েছিলাম।
আমাদের ক্যামেরায়
কাদা রাস্তায় মোটরসাইকেলে বিছানাকান্দি
বৃষ্টিভেজা বিছানাকান্দি
কীভাবে যাবেন
- CNG
আম্বরখানা → গোয়াইনঘাট হয়ে হাদারপার
রিজার্ভ ৳৫০০–১,০০০ (আনুমানিক)⏱ প্রায় ১.৫ ঘণ্টা - নৌকা
হাদারপার ঘাট → বিছানাকান্দি
পুরো নৌকা — দরদাম করুনবিছানাকান্দি + পান্থুমাই + লক্ষণছড়া একসাথে নিলে লাভ; ফেরাসহ ভাড়া আগে ঠিক করুন
ভাড়া আনুমানিক — মৌসুম, ছুটি আর দরদামে বদলায়।
কখন যাবেন
- জানু
- ফেব্রু
- মার্চ
- এপ্রি
- মে
- জুন
- জুলা
- আগ
- সেপ্টে
- অক্টো
- নভে
- ডিসে
সাবধানতা
- ১৫ মে ২০২৬ জিরো পয়েন্টের সামনে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ডুবে মারা যান — জিরো পয়েন্টের কাছে স্রোত সবচেয়ে বেশি।
- সীমান্ত পার হবেন না; BGB-র দেখানো এলাকার মধ্যে থাকুন।
- উৎসবের সময় মাঝিরা ভাড়া অনেক বাড়িয়ে চায় — আগে থেকে দাম ঠিক করুন।
টিপস
- রাতে থাকলে খুব ভোরে বের হন — ভিড়ের আগে আলো আর মেঘ দুটোই সুন্দর।
- স্থানীয় হোটেলে আমরা ৳২,০০০-এ ৪ জনের রুম পেয়েছিলাম।
কাছাকাছি
সীমান্তকুলুমছড়া
ঝর্ণার শেষ ধাপটা বাংলাদেশে
ছড়ালক্ষণছড়া
অনেকের মতে বিছানাকান্দির চেয়েও সুন্দর
ঝর্ণাপান্থুমাই
বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর গ্রাম, ওপারে বিশাল ঝর্ণা
ছড়াতুরুংছড়া
বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে এক অচেনা ছড়া
