সাদাপাথর
Sada Pathor (Bholaganj)
ধলাই নদীর বুকে সাদা পাথরের মাঠ
মেঘালয় থেকে নেমে আসা ধলাই নদী ভোলাগঞ্জে এসে ছড়িয়ে পড়েছে হাজারো সাদা-ধূসর পাথরের উপর — উপরে সবুজ পাহাড়, নিচে কাচের মতো ঠান্ডা পানি।
ভোলাগঞ্জ দেশের সবচেয়ে বড় পাথর কোয়ারির এলাকা। জিরো লাইনের ঠিক পাশে প্রায় ১৫ একর জায়গা জুড়ে পর্যটন এলাকা — পাশেই ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ের বানানো রোপওয়ের ‘বাংকার’, যা বহু বছর ধরে বন্ধ।
২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে কোয়ারি ও সাদাপাথর এলাকায় ব্যাপক পাথর লুট হয়। ২০২৫ সালের আগস্টে হাইকোর্ট সাত দিনের মধ্যে পাথর আগের জায়গায় ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন; প্রশাসন আংশিক পাথর উদ্ধার করে। তাই আগের ছবির মতো দৃশ্য এখন নাও পেতে পারেন।
আমরা গিয়েছিলাম জুলাইয়ের শেষে — নৌকা ভাগ করে মূল স্পটে, তারপর ঠান্ডা স্রোতে ঘণ্টাখানেক।
আমাদের ক্যামেরায়
সাদাপাথর — ঠান্ডা পাহাড়ি স্রোত
কীভাবে যাবেন
- বাস
আম্বরখানা/মজুমদারি → ভোলাগঞ্জ
জনপ্রতি ৳৮০ (আমাদের ২০২৬)⏱ প্রায় ১.৫ ঘণ্টাসকাল ৮টা–সন্ধ্যা ৬টা, প্রায় ২০ মিনিট পরপর
- CNG
বিকল্প: আম্বরখানা থেকে রিজার্ভ CNG
সারাদিন ৳১,০০০–১,৫০০ (আনুমানিক) - নৌকা
ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর ঘাট → সাদাপাথর
আসা-যাওয়া পুরো নৌকা ৳৮০০, সর্বোচ্চ ১০ জনঘাটে টিকিট কেটে উঠুন; ফেরার জন্য মাঝির নম্বর রাখুন
ভাড়া আনুমানিক — মৌসুম, ছুটি আর দরদামে বদলায়।
কখন যাবেন
- জানু
- ফেব্রু
- মার্চ
- এপ্রি
- মে
- জুন
- জুলা
- আগ
- সেপ্টে
- অক্টো
- নভে
- ডিসে
সাবধানতা
- ২০২৬ সালেই এখানে একাধিক পর্যটক ডুবে মারা গেছেন — স্রোত দেখতে শান্ত, কিন্তু খুব জোরালো। সাঁতার না জানলে গভীরে নামবেন না।
- উজানে ভারী বৃষ্টি হলে পাহাড়ি ঢলে প্রশাসন স্পট বন্ধ করে দেয় (যেমন ২১ জুন ২০২৬)।
- পাথর তোলা বা নিয়ে আসা আইনত দণ্ডনীয় — ২০২৫ সালে এ জন্য কারাদণ্ডও হয়েছে।
- নৌকায় লাইফ জ্যাকেট পরুন; অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া নিষেধ।
টিপস
- অন্য গ্রুপের সাথে নৌকা ভাগ করলে খরচ জনপ্রতি ৳১০০-এ নেমে আসে।
- মূল স্পটের কাছেই দুপুরের খাবার সেরে নিন — বাজারে ফিরে খেতে সময় নষ্ট।
- ঈদের ছুটিতে প্রচণ্ড ভিড়; সম্ভব হলে সপ্তাহের মাঝে যান।



